Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১০ জুন, ২০১৮ ২২:৩৬ অনলাইন ভার্সন
চিরচেনা ক্যাম্পাসের অচেনা রূপ
বাইজিদ ইমন, চবি
চিরচেনা ক্যাম্পাসের অচেনা রূপ

যে ক্যাম্পাসটি সারাক্ষণ শিক্ষার্থীদের আড্ডা আর হই হুল্লোড়ে  মুখরিত থাকত, সেটি এখন জনমানব শূণ্য প্রায়। ঈদের ছুটিতে ক্যাম্পাস বন্ধ হওয়ায় এমন চিত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো দখলে নিয়েছে ঘাস আর শ্যাওলারা। তারা নিজেদের মতো করে দখল করে নিয়েছে পথিক চলাচলের পথগুলোও। রাত্রী নামতেই মনে হয় এ যেন এক জন মানব শূন্য লোকালয়।

বর্ষাকালীন ছুটি, পবিত্র রমাজান, শবেকদর, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস দীর্ঘ ২৮ দিনের বন্ধ হওয়া সুনসান নীরব পুরো ক্যাম্পাস। জিরো পয়েন্ট, কলার ঝুপড়ি, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ঝুপড়ি, লেডিস ঝুপড়ি, আইন অনুষদ, ফরেস্ট্রি, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ, কেন্দ্রীয় লাব্রেরী, শহীদ মিনার, মুক্ত মঞ্চসহ বিভিন্ন স্থানে তরুণ-তরুণীদের আনাগোনায় মুখরিত থাকত চির সুবজ এ ক্যাম্পাসটি। ক্যাম্পাসের সেই চির চেনা জায়গাগুলো এখন অচেনা রূপ নিয়েছে।

ক্যাম্পাসকে খুব বেশি মিস করছে তাই প্রাণের ক্যাম্পাসকে এক নজর দেখতে লোক প্রশাসন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সাবরিনা চৌধুরী এসেছেন সুদূর ফটিকছড়ি থেকে। তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, চির সবুজের এ ক্যাম্পাসকে কিছুতেই ভুলে থাকতে পারছি না। তাই একনজর দেখতে এসেছি। মনে হচ্ছে আজ প্রথম এ মায়াবি ক্যাম্পাসে এসেছি। অনেক কিছুই বদলে গেছে। চারদিকে সবুজ আর সবুজ। 

শুধু সাবরিনা নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকেও অনেকে এ আবেগ ধরে রাখতে না পেরে তাদের নিজস্ব অভিব্যক্তি ব্যক্ত করছেন। এমনই একজন ইংরেজি বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী পার্থ প্রথিম। তিনি লিখেছেন, 'দীর্ঘদিন ছুটিতে প্রিয় চবি ক্যাম্পাসের বৃষ্টির মুহূর্তটা অনেক বেশি মিস করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি শেষে তোমার মায়াময়রূপ অামাকে বারবার মনে করিয়ে দিবে।' এছাড়াও ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসাইনও লিখেছেন, খুব বেশি মিস করতেছি প্রিয় ক্যাম্পাসকে। সেই আড্ডাবাজ বন্ধুগুলোকেও। যাদের সাথে আড্ডা দিতাম দিত্য কি রজনী। এ যেন এক মায়াবি আলয়।

বিডি-প্রতিদিন/১০ জুন, ২০১৮/মাহবুব

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow