Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৩ জুলাই, ২০১৮ ০১:৩৫ অনলাইন ভার্সন
মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রকাশিত সংবাদ তরুণ প্রজন্মকে জানাতে হবে
নিজস্ব প্রতিবেদক
মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রকাশিত সংবাদ তরুণ প্রজন্মকে জানাতে হবে

মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রকাশিত সংবাদ,সাংবাদিকদের লেখা ও তাদের স্মৃতিকথা পুস্তক আকারে বের করে তরুণ প্রজন্মকে জানাতে হবে। এতে করে তরুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে।  

বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধ ও সাংবাদিকতা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। এসময় মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট সাংবাদিক হারুন হাবীব ‘মুক্তিযুদ্ধ ও সাংবাদিকতা’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

সেমিনারে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাসে হাজারো বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন হচ্ছে স্বাধীনতা। মুক্তিযুদ্ধের সময় সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ পায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে। তা একদিকে যেমন মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাঙালি জাতিকে উজ্জীবিত করতে সহায়তা করেছে, তেমনি আজও ঐসকল প্রতিবেদন ইতিহাসের অকাট্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রকাশিত সংবাদ নতুন প্রজন্মদের মাঝে জানানো দরকার। 

সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. মোঃ গোলাম রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আগে ষাটের দশকে পূর্ব বাংলার অবস্থা, বাংলার অর্থনীতি, বঞ্ছনা, যে বৈষম্য ব্যবস্থা কায়েম করা হয়েছিল- তখনকার সাংবাদিকেরা অনেক কষ্ট করে উপস্থাপন করেছিলেন। গণতন্ত্র, ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা আন্দোলন, ৬৯’ গণ অভ্যুত্থান, ৭০’ নির্বাচন সবই কিছুতেই সাংবাদিকদের অবস্থান ছিল স্পষ্ট, আর এসকল আন্দোলনের চুড়ান্ত রূপ হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ। সংবাদপত্রে যে অবিচ্ছিন্ন ধারা এবং ঐতিহাসিকভাবে সাংবাদিকরা যে দায়িত্ব পালন করেছেন সেটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

সমকালের নির্বাহী সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি বলেন,মুক্তিযুদ্ধকালীন সুবিখ্যাত সাংবাদিক হারুণ হাবীবসহ মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রথিতযশা সাংবাদিকদের লেখা,তাদের স্মৃতিকথা এবং মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রীক সংবাদগুলো যদি নির্বাচন করে পুস্তক আকারে বের করা হয়। তবে সাংবাদিকতার শিক্ষার্থীরাসহ তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে।

সেমিনারে সেমিনারে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শাহ্ মোঃ নিসতার জাহান কবীর-এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অবন্তী মেহতাজ এবং উপস্থাপনা করেন প্রভাষক মোঃ মিনহাজ উদ্দীন। 

 

বিডি প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত তাফসীর

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow