Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১১ জুলাই, ২০১৮ ২৩:৩১
সিলেট
হাতে হাত রেখে অঙ্গীকার
শাহ্ দিদার আলম নবেল, সিলেট
হাতে হাত রেখে অঙ্গীকার
হাতে হাত রেখে সিলেট নগরবাসীর পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন সিটি নির্বাচনের মেয়র প্রার্থীরা —বাংলাদেশ প্রতিদিন

আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হওয়ার পর ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাত মেয়র প্রার্থী। ব্যস্ততার মধ্যেও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন মেয়র প্রার্থীরা। তারপর হাতে হাত রেখে করেছেন নির্বাচনী অঙ্গীকার।

সিলেট সিটি নির্বাচন উপলক্ষে গতকাল সকালে সিলেট নগরের রিকাবিবাজারে মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সুজন। এতে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলনের মোয়াজ্জেম হোসেন, সিপিবি-বাসদের আবু জাফর এবং স্বতন্ত্র (জামায়াতে ইসলামী) এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, বদরুজ্জামান সেলিম ও এহসানুল হক তাহের উপস্থিত ছিলেন। সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে হাতে হাত রেখে নির্বাচনী অঙ্গীকার পাঠ করেন এসব মেয়র প্রার্থী।

মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেন, ‘নিয়মিত উন্নয়নকাজের বাইরে যুবসমাজের মানোন্নয়ন নিয়ে কাজ করব। যুবকরা যাতে মাদক থেকে দূরে থাকে, তারা যাতে বিপথগামী না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাদের জন্য কর্মসংস্থান ও চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা করা এবং সৃজনশীল কাজে তাদের নিয়োজিত রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব।’ বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘সিলেট নগরের উন্নয়নে কোনো মাস্টারপ্ল্যান নেই। যার ফলে উন্নয়ন ব্যাহত হয়। বেশ আগে যে মাস্টারপ্ল্যান করা হয়েছিল, তা বাস্তবসম্মত নয়। নির্বাচিত হতে পারলে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে কার্যকর একটি মাস্টারপ্ল্যান করব।’

মহানগর বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম জানান, তিনি নির্বাচিত হলে সৌন্দর্যবর্ধন করাসহ সিলেটকে তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

ইসলামী আন্দোলনের নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘নির্বাচিত হলে নগরের প্রতিটি মসজিদে শিশুদের ইসলামী শিক্ষার ব্যবস্থা করব।’

মহানগর জামায়াতের আমির এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘নগরীতে সেবা প্রদানকারী সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় করব, যাতে সবাই সহজেই সেবা পায়। আধ্যাত্মিক নগরী বলতে যা বোঝায়, সেরকমভাবেই সিলেট নগরীকে গড়ে তোলা হবে।’

সিপিবি-বাসদের প্রার্থী আবু জাফর নির্বাচিত হলে মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, সিটি করপোরেশনের অধীনে স্কুল বৃদ্ধি, কর্মজীবী মায়েদের জন্য ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপনের কথা জানান। যুবসমাজকে নিয়ে সমতার ভিত্তিতে পরিকল্পিত নগরী গড়ার কথা বলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এহসানুল হক তাহের।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow