Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১২ জুলাই, ২০১৮ ০৪:০৪
মহেশখালীতে আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সমঝোতা স্মারক
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুেকন্দ্রের আরেকটি হচ্ছে কক্সবাজারের মহেশখালীতে। এটি নির্মাণ করবে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই)। গতকাল কোম্পানিটির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। ৩৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র নির্মিত হচ্ছে, যা থেকে ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এর আগে গত বছর পটুয়াখালীর পায়রায় এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে জার্মানির সিমেন্স কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। ওই কেন্দ্রটির  উৎপাদন ক্ষমতাও ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। মহেশখালীতে নতুন প্রকল্পটিতে ভূমি উন্নয়ন, বিদ্যুেকন্দ্র ও এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে চার দশমিক চার বিলিয়ন (৪৪০ কোটি) ডলার; যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। বিদ্যুৎ ভবনে পিডিবির পক্ষে চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ এবং জিএই পাওয়ারের প্রেসিডেন্ট ও সিইও রাসেল স্টোকস সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেন।

এই প্রকল্পের জন্য ৫ হাজার ৬০০ একর ভূমি উন্নয়নে ১৬০ কোটি ডলার এবং বিদ্যুেকন্দ্র নির্মাণে ২৮০ কোটি ডলার ব্যয় হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, দেশের একক কোনো প্রকল্পে এটি হতে যাচ্ছে অন্যতম বড় বিনিয়োগ।

জেনারেল ইলেকট্রিক পিডিবির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সইয়ের আগে একই দিন বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানি সামিট করপোরেশন ও জাপানের মিতসুবিশি করপোরেশনের সঙ্গে মিলে ২৪ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের ঘোষণা দেয়। পিডিবির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জিএই পাওয়ারের প্রেসিডেন্ট রাসেল স্টোকস বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে অবদান রাখতে পেরে তারা আনন্দিত। মহেশখালীতে এই বিনিয়োগ প্রকল্পের আওতায় জিইর প্রধান পণ্য ৯এইচএ গ্যাস টারবাইন ব্যবহার করে ৬০০  মেগাওয়াট করে মোট দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার চারটি ইউনিট, মোট তিন লাখ ৮০ হাজার মিটার গ্যাস উৎপাদন ক্ষমতার দুটি এলএনজি টার্মিনাল, এক লাখ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি তেলের টার্মিনাল ও ৩০০ মেগাওয়াটের একটি এইচএফওভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপন করা হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow