Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১২ মার্চ, ২০১৮ ২৩:২২
বিমানটিতে ছিলেন যারা
নিজস্ব প্রতিবেদক

নেপালে বিধ্বস্ত ইউএস বাংলা এয়ার লাইনসের বিমানে মোট যাত্রী ছিলেন ৬৭ জন। এর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন ৩২ জন, নেপালি ৩৩ জন, একজন মালদ্বীপের ও একজন চীনের নাগরিক। এর মধ্যে পুরুষ যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৩৭, মহিলা ২৮ ও দুজন শিশু ছিল। ২০১০ সালে জন্ম নেওয়া ৮ বছর বয়সী বাংলাদেশি শিশুর নাম অনিরুদ্ধ জামান। অনিরুদ্ধের বাবা মো. রফিকুজ্জামান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। তার মা সানজিদা হক হাঙ্গার প্রজেক্টের কর্মকর্তা। তারা তিনজনই ওই বিমানের যাত্রী ছিলেন এবং সবাই নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আরেক শিশু ২০১৫ সালে জন্ম নেওয়া আড়াই বছরের তামারা প্রিয়ন্ময়। তার বাবা এফএইচ প্রিয়ক ও মা আলমুন নাহার। তারা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। যারা ছিলেন যাত্রী : রিজানা আবদুল্লাহ, ফয়সাল আহমেদ, শাহরিন আহমেদ, ইয়াকুব আলী, আলিফুজ্জামান, আলমুন নাহার অ্যানি, বিলকিস আরা, শিলা বাজগাইন, বেগম নুরুন্নাহার বিলকিস বানু, আলজিনা বড়াল, চারু বড়াল, আখতারা বেগম, শাহিন বেপারি, সোবিন্দ্র সিং বহরা, বসন্ত বাহোরা, সামিরা বাইনজঙ্কর, প্রবীণ চিত্রকর, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, সাজানা দেবকোটা, প্রিন্সি ধামি, জ্ঞানী কুমারী গুরং, রেজানুল হক, রাকিবুল হাসান, মেহেদি হাসান, এমরানা কবির হাসি, মো. কবির হোসেন, দিনেস হোমাগাইন, সানজিদা হক, মো. হাসান ইমাম, মো. নজরুল ইসলাম, শারিয়া ঝা, পূর্ণিমা লোহানি, মিলি মেহেরাজান, নিগা মেহেরজান, সঞ্জয় মেহেরজান, ঝাং মিং, আঁখি মণি, মেহনাজ বিন নাসির, কিষব পাণ্ডে, প্রসন্ন পাণ্ডে, বিনোদ রাজ পাডোয়াল, হরিশংকর পাডোয়াল, সঞ্জয় পাডোয়াল, এফ এইচ প্রিয়ক, তামারা প্রিয়ন্ময়, মো. মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, আশিস রঞ্জিত, তাহিরা তানভিন শশি রেজা, পিয়াস রায়, শেখ রাশেদ রুবায়েত, কৃষ্ণ কুমার শানি, উম্মে সালমা, আশা শাক্য, শানাম শাক্য, অঞ্জিলা শ্রেষ্ঠ, শারুনা শ্রেষ্ঠ, সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা, হরি প্রাসাদ সুবেদি, দয়ারাম তাম্রকর, বাল কৃষ্ণ থাপা, শ্বেতা থাপা, কিশোর ত্রিপাঠি, আবাধেশ কুমার ইয়াদভ, অনিরুদ্ধ জামান, মো. নুরুজ্জামান, মো. রফিকুজ্জামান।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow