Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ১১ মে, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১০ মে, ২০১৮ ২১:৪৯
কেশকাহন
হেয়ার ট্রিমিং
উম্মে হানি
হেয়ার ট্রিমিং
♦ মডেল : এশা ♦ ছবি : মঞ্জুরুল আলম

ছোট চুল বা বড় চুল যাই হোক; চুলের স্বাস্থ্য ও স্টাইল ঠিক রাখতে ট্রিমিং মাস্ট। সেটা আপনি ঘরে বা পার্লারে যেখানেই করুন না কেন। আবার হেয়ার এক্সপার্টরা ব্যক্তিত্ব এবং চুলের ধরন বুঝে হেয়ার ট্রিমিংয়ের পরামর্শ দেন।

চুল ট্রিমিং নিয়ে ভাবতেই অনেকেই হয়তো হারিয়ে যাবেন ছেলেবেলার স্মৃতিমাখা পথে। মাথায় ঘনকালো কেশের আশায় বছরে কমপক্ষে দুবার ন্যাড়া হননি এমন মানুষ নেই বললেই চলে। এখন আপনার মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন জাগতে পারে, কতদিন অন্তর চুল কাটা উচিত? মূল কথা হলো আপনি কতবার চুল কাটবেন তা কিন্তু আপনার চুলের স্টাইলের ওপরেও নির্ভর করে। তাই রইল চুল কাটার নানা পরামর্শ।

 

আকাঙ্ক্ষা গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড এর কর্ণধার জুলিয়া আজাদ বলেন, চুলের সমস্যা সমাধানে হেয়ার ট্রিমিং-এর বিকল্প নেই। এই কাজটি পার্লারে অথবা বাসায় করা যেতে পারে। অনেকেই মনে করেন, হেয়ার ট্রিমিং মানে চুলের আগা ছেঁটে সমান করা। কিন্তু বাস্তবে ট্রিমিং বলতে বোঝায় প্রতিটি চুলের ভঙ্গুর অংশ কেটে ফেলা। এ জন্য মাথার সম্পূর্ণ চুলকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ কাটতে হবে। প্রতি দুই মাস অন্তর তিনবার হেয়ার ট্রিমিং করাতে পারলে রুক্ষ ও আগাফাটার সমস্যা এক বছরের জন্য দূর হবে। 

 

চুল কেন কাটবেন?

চুল ছোট হোক বা বড়, সাধারণত আপনার চুলের ধরনের ওপর নির্ভর করে চুলের কাট বা ট্রিমিং। এ ছাড়া চুল বেড়ে ওঠার জন্যও নিয়মিত চুল কাটা প্রয়োজন। অনেকে চুল বড় করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চুল কাটতে নারাজ। ফলে চুলের আগা ফেটে যাওয়া, চুল ঝরে পড়া এবং নানারকম পুষ্টিহীনতা দেখা দেয়। তাই সাধের চুলগুলো সুস্থ এবং সুন্দর রাখতে নিয়মিত ট্রিমিং মাস্ট।

 

চুলের সমস্যায় হেয়ার কাট

বয়স বাড়ছে, চুলের ওপর এখন আধিপত্য বজায় থাকছে না। নানা কর্মব্যস্ততা আর স্ট্রেসে সাধের চুলগুলো ঝরে যাচ্ছে। এমন সমস্যার ক্ষেত্রে বিউটিশিয়ানরা বরাবরই চুল ট্রিমিংয়ের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এ জন্য অবশ্য মুণ্ডু কামাতে হবে না। চাই নিয়মিত হেয়ার কাট এবং পরিচর্যা।

 

লম্বা চুলের কাট

ঘন এবং লম্বা চুল কার না পছন্দ! কিন্তু চুলকে ঘন এবং লম্বা রাখতে চাই নিয়মিত ট্রিম করানো জরুরি। কেননা, চুল বেশি লম্বা হয়ে গেলে চুলের আগা ফেটে যায় এবং চুল পাতলা হয়ে যায়। প্রতি ৩ বা ৪ মাস পর পর লম্বা চুল কাটা উচিত। এক্ষেত্রে খুব বেশি নয়, মাত্র ১/২ ইঞ্চি চুল কাটলেই আপনি পাবেন আগের থেকে স্বাস্থ্যকর চুল।

 

মাঝারি লম্বা চুলের কাট

চুল লম্বা হতে শুরু করলে আগা ফাটা এবং চুল ঝরার প্রবণতা দেখা দেয়। তাই অনেকেই চুল খুব বেশি লম্বা রাখতে নারাজ। এমন মাঝারি সাইজের চুল রাখার উপকারিতাও রয়েছে। এ ধরনের চুলের কাটিংয়ে চুল ভালো থাকে ও স্টাইলটিও হয় সুন্দর। মাঝারি লম্বা চুলের ট্রিমিং করাতে ২-৩ মাস পর পর বাড়তি চুল কেটে ফেলতে পারেন।

 

ছোট চুলের কাট

যারা ছোট চুলে অভ্যস্ত তাদের ঝুট-ঝামেলাও বেশি। এমন স্টাইলে চুল রাখতে চাইলে নিয়মিত ট্রিমের পাশাপাশি যত্নআত্তিও প্রয়োজন। শর্ট হেয়ার কাট মেইনটেন করতে প্রতি ২ মাস অন্তর অন্তর চুল কেটে নেওয়া মাস্ট। বাজে দেখাবে না।

 

কেমিক্যাল ব্যবহূত চুলে

বর্তমানে সব বয়সী রমনীরা চুল কালার বা স্ট্রেটনিং করাতে দারুন পছন্দ করেন। এ ধরনের চুলের খারাপ হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে সবচেয়ে বেশি। কারণ চুলকে রঙিন দেখাতে নানা কেমিক্যাল প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। ফলে চুলে শুষ্কতা ভাব দেখায়। ২ মাস পর পর এ ধরনের চুল কাটা প্রয়োজন।

এই পাতার আরো খবর
সর্বাধিক পঠিত
up-arrow