Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ৮ জুন, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৭ জুন, ২০১৮ ২২:১০
কিশমিশের যত গুণ!
কিশমিশের যত গুণ!

রসনা বিলাসে বিভিন্ন দেশে কিশমিশের পানীয়র জনপ্রিয়তা বেশ তুঙ্গে। কিশমিশ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ একটি খাবার। উৎসবে পায়েস-পোলাওয়ে মাত্র কয়েকটি কিশমিশ দিলে, স্বাদ বেড়ে যায় কয়েক গুণ। শুধু স্বাদেই নয়, ড্রাই ফ্রুটস হিসেবেও এটি দারুণ উপকারী। রোজ এক কাপ কিশমিশের পানিতে মেলে বিশেষ উপকারিতা।

সমীক্ষা বলছে, নারীদের দিনে নির্দিষ্ট পরিমাণ কিশমিশ খেলে শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালোরি পাবে, তবে ফ্যাট থাকবে না। আরেকটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কিশমিশ ভেজানো জল খেলে শরীরে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার ফলে রক্ত পরিশোধিত হতে শুরু করে। সপ্তাহে কমপক্ষে চার দিন এই কিশমিশ ভেজানো পানি খেলে তা পেট পরিষ্কার রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। জেনে নিন উৎসবের এই সময়ে রইল কিশমিশের উপকারী গুণ।

♦ কিশমিশে থাকে পটাশিয়াম, যা হার্টকে ভালো রাখে এবং খারাপ কোলেস্টরল দূর করতে সাহায্য করে।

♦ কিশমিশে কসমিসে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা শক্তি জোগায়। মহিলারাই বিশেষত রক্তাল্পতায় ভোগেন, তাই চিকিৎসকরা বলেন, কিশমিশ খাওয়া মহিলাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে বিশেষ উপকারী।

♦ এতে রয়েছে আয়রন। যা রক্তাল্পতা কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

♦ ছোট্ট এই ড্রাই ফ্রুটে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়ামও থাকে। যা পেশি সংকোচনের হার কমিয়ে দেয়। আবার স্নায়ুতে রক্তপ্রবাহের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে।

♦ এ ছাড়াও নিয়মিত কিশমিশ খেলে বা কিশমিশ ভেজানো জল খেলে লিভারও ভালো থাকে। যারা প্রায়শই পেটের গণ্ডগোলে ভোগেন তাদের জন্য এই জল বিশেষ উপকারী।

♦ কিশমিশের মিষ্টত্ব শরীরকে শক্তি জোগায়।

♦ কিশমিশ ভেজানো জল খেলে শরীরে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার ফলে রক্ত পরিশোধিত হয়।

♦ কিশমিশ ভেজানো জল খেলে লিভারের পাশাপাশি কিডনিও খুব ভালো থাকে। আর কিডনি ও লিভার দুটো ভালো থাকলে হজমও ভালোভাবে হয়।

কীভাবে বানাবেন?

২ কাপ জলে ১৫০ গ্রাম কিশমিশ ভিজিয়ে রাখতে হবে সারা রাত। গাঢ় রঙের কিশমিশ বেশি উপকারী। কিশমিশগুলো ভালোভাবে ধুয়ে, সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে কিশমিশ ছেঁকে নিয়ে সেই জল হালকা গরম করে খালি পেটে খেয়ে নিন। এর পরে আধ ঘণ্টা আর অন্য কিছু খাবেন না। সপ্তাহে তিনদিন এই জল খেলে সুস্থ থাকবেন।

এই পাতার আরো খবর
সর্বাধিক পঠিত
up-arrow