Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৭ মে, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১৬ মে, ২০১৮ ২৩:১১
‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩
প্রতিদিন ডেস্ক

পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে গতকাল দেশের তিন স্থানে তিনজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জে ডাকাতি এবং পুলিশের অস্ত্র চুরি মামলার আসামি পারভেজ (৩০), ময়মনসিংহে ডাকাতি মামলার আসামি আজিজ (৩০) এবং ফেনীতে ধর্ষণ মামলার আসামি মুছা আলম মাসুদ (৩৫)। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো বিবরণ— নারায়ণগঞ্জ : ফতুল্লায় পুলিশের অস্ত্র চুরি মামলার আসামি পারভেজ ক্রসফায়ারে মারা গেছেন। পুলিশ বলছে, ছিনতাইকারী দুই গ্রুপের গোলাগুলির সময় পুলিশ সেখানে উপস্থিত হলে ত্রিপক্ষীয় গোলাগুলিতে ক্রসফায়ারে পড়ে পারভেজ মারা যান। ঘটনাস্থল থেকে ২ রাউন্ড গুলিভর্তি একটি রিভলবার ও ৩টি বড় ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।  রাত ২টায় দাপা আলামিন নগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পারভেজ ফতুল্লার দাপা পাইলট স্কুল এলাকার সোবহান মিয়ার ছেলে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ১৩ মে রাতে এএসআই সুমন কুমার পালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ফতুল্লা রেলস্টেশন রোড এলাকার একটি বালুর মাঠে ডিউটিরত ছিল। তখন কনস্টেবল সোহেল রানার একটি চাইনিজ রাইফেল খোয়া যায়। পরদিন সকাল ১১টায় ফতুল্লার দাপা বালুর মাঠের পাশের একটি ডোবার পাশ থেকে রাইফেলটি উদ্ধার করা হয়। ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আজিজ নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছেন। গতকাল ভোর রাতে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার বারইহাটী বটতলায় এ ঘটনা ঘটে। ফেনী : দাগনভূঞায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মুছা আলম মাসুদ নামে এক ধর্ষক নিহত হয়েছেন। গভীর রাতে দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের খুশিপুর ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দাগনভূঞা থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ জানান, গত বছরের ৯ জুলাই খুশিপুরের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করেন মাসুদ। এরপর তিনি দীর্ঘদিন পলাতক থাকেন। গত ৬ মে একই গ্রামে মাসুদ ও তার সহযোগী ছুট্টু ৪ সন্তানের জননীকে ধর্ষণ করেন। এ অবস্থায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ মঙ্গলবার বিকালে মাসুদকে আটক করে। পরে তাকে নিয়ে রাতে ছুট্টুকে ধরতে বের হয়। কিন্তু আগে থেকে খুশিপুর ব্রিজ এলাকায় ওতপেতে থাকা মাসুদের লোকজন পুলিশকে লক্ষ করে গুলি ছুড়তে থাকে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হন মাসুদ। পরে দাগনভূঞা হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। মাসুদের বিরুদ্ধে দুটি ধর্ষণ মামলা ছাড়াও একটি হত্যা ও একটি মারামারির মামলা রয়েছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow