Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১১ জুলাই, ২০১৮ ২৩:৪২
ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন
আলোর মুখ দেখছে ই-পাসপোর্ট প্রকল্প
নিজস্ব প্রতিবেদক

অবশেষে আলোর মুখ দেখছে ই-পাসপোর্ট প্রকল্প। শিগগিরই ই-পাসপোর্ট তুলে দেওয়া হবে নাগরিকদের হাতে। এ জন্য ই-পাসপোর্ট অটোমেটেড বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আওতায় দুই মিলিয়ন পাসপোর্ট ক্রয় এবং ২৮ লাখ পাসপোর্ট বানানোর সরঞ্জাম, অর্থাৎ মেশিনপত্র কেনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার, যাতে পরবর্তী পাসপোর্ট বই বাংলাদেশে তৈরি করা যায়। এতে ব্যয় হবে তিন হাজার ৩৩৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। জি টু জি (সরকার টু সরকার) ভিত্তিতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এসব পণ্য ও সেবা জার্মানি থেকে ক্রয় করা হবে। গতকাল সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট অটোমেটেড বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দুই মিলিয়ন পাসপোর্ট বুকলেট ক্রয় এবং ২৮ মিলিয়ন পাসপোর্ট তৈরির সব উপাদানসহ আনুষঙ্গিক হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও ১০ বছরের রক্ষণাবেক্ষণসহ সব সেবা ক্রয়ের একটি প্রস্তাব কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। এসব ক্রয়কার্য সম্পাদন করতে ব্যয় হবে ৩ হাজার ৩৩৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। এসব পণ্য ও সেবা জি টু জি (সরকার টু সরকার) ভিত্তিতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে জার্মানি থেকে ক্রয় করা হবে।

যন্ত্রে অপাঠযোগ্য কাগুজে পাসপোর্টের দিন শেষ হয়েছে বেশ আগেই। যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্টের (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট-এমআরপি) ধারণাও প্রায় শেষ। কারণ যুগ এখন ইলেকট্রনিক বা ই-পাসপোর্টের। এর মধ্যে বিশ্বের ১১৯টি দেশে চালু হয়ে গেছে এই পাসপোর্ট। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। আগামী ডিসেম্বর থেকে চালু হতে পারে ই-পাসপোর্ট। সরকারের বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতর সূত্র জানায়, ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত একটি প্রকল্প ৫ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে পাস হয়। এর আগে ১৫ মে অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়। এই প্রকল্পে সরকারিভাবে বাংলাদেশকে কারিগরিসহ সব ধরনের সহায়তা দেবে জার্মানি।

৫০ হাজার টন গম কিনছে সরকার : দেশের খাদ্যচাহিদা পূরণে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৫০ হাজার টন গম সংগ্রহ করছে সরকার। এ জন্য সরকারকে ব্যয় করতে হবে ১০৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। গতকালের বৈঠকে এ-সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্যাকেজ-৬-এর আওতায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম ক্রয়ের একটি প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। ২৫৩ দশমিক ৩৮ মার্কিন ডলারে প্রতি মেট্রিক টন হিসেবে এ গম সরবরাহ করবে সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মেসার্স অ্যাগ্রোকোর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। এ হিসাবে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করতে সরকারের ব্যয় হবে ১০৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow