Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল, ২০১৮ ০৯:০৫ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১৬ এপ্রিল, ২০১৮ ১৪:৩০
ফল খাওয়ার সঠিক সময় জানালেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা
অনলাইন ডেস্ক
ফল খাওয়ার সঠিক সময় জানালেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা
ফাইল ছবি

নানারকম ফল খাওয়া খুব ভাল অভ্যাস৷ তবে যখন তখন ফল খাওয়া আদপে ক্ষতি ডেকে আনে শরীরের। শরীরে পুষ্টি উপাদান পাওয়ার অন্যতম প্রাকৃতিক উপায় হচ্ছে ফল খাওয়া। দিনের ঠিক কোন সময়ে ফল খাওয়া উচিত তা অনেকেই জানেন না

বেশিরভাগ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ শরীর সুস্থ রাখতে তাজা ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়ার নির্দেশ দেন। কারণ এসব খাবারে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। শাকসবজি যেকোনো সময়ে খাওয়া গেলেও ফল খাওয়ার কিন্তু নির্দিষ্ট সময় আছে। কারণ ফলে প্রচুর শর্করা থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফল খাওয়া ঠিক নয়। কারণ এতে শর্করার সঙ্গে কার্বোহাইড্রেট আর ব্যাকটেরিয়া মিশে শরীরের হজমশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফল এমনিতে একটি পরিপূর্ণ খাবার। প্রধান খাবারের সঙ্গে এটা মেলানো ঠিক নয়। 

তারা আরও বলেন, যদি ফলের সঙ্গে উচ্চমানের প্রোটিন খাওয়া হয় তাহলে ফলে থাকা শর্করা আরও সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। তখন এটা হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। , মুল খাবার ও ফল খাওয়ার মধ্যে অন্তত আধঘণ্টা ব্যবধান রাখা উচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে এক গ্লাস পানি খাওয়ার পর ফল খাওয়া উচিত। তবে সাইট্রাস জাতীয় ফল যেমন- আঙ্গুর, কমলা,বাতাবীলেবু এগুলো খেলে অ্যাসিডিটি বেড়ে যেতে পারে। অন্যান্য ফল যেমন- আপেল, কলা, নাশপাতি, জাম ইত্যাদি খালি পেটে খেলে তা শরীরের কার্যক্রমে সহায়তা করে, শরীরে শক্তি জোগায় এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। 

বিশেষজ্ঞরা জানান, সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার এবং সন্ধা বেলায় কিছু খাওয়ার আগে ফল খাওয়া উচিত, খাওয়ার পরে নয়। খাওয়ার অন্তত আধঘণ্টা আগে ফল খেলে বেশি খাবার খাওয়ার ইচ্ছে কমে যায়। মূল খাবার খাওয়ার আগে ফল খেলে পাকস্থলীতে কম ক্যালরি জমা হয়। 

এছাড়া খাওয়ার আগে ফল খেলে খাবারে বেশি পরিমাণ ফাইবার যোগ হয়। এ জাতীয় খাবার খেলে পেট তুলনামূলক ভরা লাগে এবং তা হজমেও সহায়তা করে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফল না খাওয়াই ভাল বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ ফলের শর্করা শরীর সক্রিয় করে এবং ঘুমোতে বাধা দেয়। এজন্য ঘুমোনোর অন্তত তিন ঘণ্টা আগে ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। 


বিডি প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত তাফসীর

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow