Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ১৮ মে, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১৭ মে, ২০১৮ ২৩:১৫
অ্যাথলেটিকোর শিরোপা
ক্রীড়া প্রতিবেদক
অ্যাথলেটিকোর শিরোপা
শিরোপার ট্রফি নিয়ে উল্লসিত অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের ফুটবলাররা —এএফপি

আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলবে। লা লিগায় রানার্স আপ হওয়ার দৌড়ে রয়েছে। বার্সেলোনার পেছনে থেকে দ্বিতীয় হওয়ার লড়াইয়ের প্রতিপক্ষ নগর প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ। ২৬ মে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিততে লড়াইয়ে নামবে রিয়াল মাদ্রিদ।

 এমন যখন সমীকরণ, তখন নগর প্রতিপক্ষ অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ পরশু রাতে জিতে নিল ইউরোপের দ্বিতীয় সেরা মর্যাদার টুর্নামেন্ট ইউরোপা কাপ। রিয়ালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার আগে উৎসবে মেতে উঠেছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সমর্থকরা। ইউরোপা কাপের শিরোপা জিততে অ্যাটলেটিকো ৩-০ গোলে হারিয়েছে ফ্রেঞ্চ ক্লাব অলিম্পিক মার্সেইকে। ডিয়াগো সিমিওনের দলকে ইউরোপা কাপ উপহার দিয়েছেন দলটির ফ্রেঞ্চ স্ট্রাইকার আতোয়ান গ্রিজম্যান জোড়া গোল করে। বিশ্বকাপের আগে যা দারুণভাবে উদ্দীপ্ত করবে ফ্রেঞ্চ স্ট্রাইকারকে। এ নিয়ে অ্যাটলেটিকো তৃতীয়বারের মতো ইউরোপা কাপের শিরোপা জিতল। এর আগে ২০০৯-১০ ও ২০১১-১২ মৌসুমে ইউরোপা কাপের শিরোপা জিতেছিল সিমিওনের অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ।  

বুধবার রাতে ফ্রান্সের লিওতে খেলতে নামে অ্যাটলেটিকো ও মার্সেই। ম্যাচে স্প্যানিশ ক্লাবটি জিতেছে। কিন্তু গোলের প্রথম সুযোগ পেয়েছিল মার্সেই। ৪ মিনিটে দিমিত্রি পায়েতের থ্রু ধরে ছোট বক্স থেকে বাইরে মারেন ভালেহে। চার মিনিট পর আরও একটি সুযোগ নষ্ট করেন মার্সেইর আদিল রামি।

তখন মনে হচ্ছিল এবার শিরোপা জিতবে ফ্রেঞ্চ ক্লাবটি। খেলার বিপরীতে এগিয়ে যায় অ্যাটলেটিকো। ২১ মিনিটে মার্সেইয়ের রক্ষণভাগের পা থেকে বল কেড়ে গ্রিজম্যানকে বাড়িয়ে দেন গাবি। গ্রিজম্যান ভুল না করে মাটি কামড়ানো শটে এগিয়ে নেন অ্যাটলেটিকোকে ১-০)। প্রথমার্ধ শেষ হয় এক গোলেই। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোলসংখ্যা দ্বিগুণ করেন গ্রিজম্যান।

কোকের পাস ধরে গায়ের সঙ্গে লেগে থাকা ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয় আগুয়ান গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে জালে ফেলেন বল (২-০)। চলতি মৌসুমে দলের হয়ে সব প্রতিযোগিতায় গ্রিজমানের ২৯ নম্বর গোল। ৮৯ মিনিটে ম্যাচের শেষ গোলটি করেন গাবি। কোকের বাড়ানো বল ধরে ডি-বক্সের মাথা থেকে কোনাকুনি শটে অধিনায়ক গাবি গোল ব্যবধান ৩-০ করেন।

শিরোপা জিতলেও মাঠে উপস্থিত থেকে নিষেধাজ্ঞার কারণে  দল পরিচালনা করতে পারেননি ডিয়াগো সিমিওনে। তবে ম্যাচ শেষে শিষ্যদের সঙ্গে উৎসবে মেতে উঠেন আর্জেন্টাইন বংশোদ্ভুত কোচ। তার কোচিংয়েই ২০১১-১২ মৌসুমে ইউরোপা কাপে নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা জিতেছিল অ্যাটলেটিকো।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow