Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ১৮ মে, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১৭ মে, ২০১৮ ২৩:১৫
আবাহনীর কেন এই বিপর্যয়
দুই ম্যাচে ৯ গোলে হার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
আবাহনীর কেন এই বিপর্যয়

ঘরের মাঠে ঢাকা আবাহনী সবচেয়ে সফল দল। স্বাধীনতার পর সর্বোচ্চ লিগ জয়ের রেকর্ড রয়েছে তাদের। অথচ আন্তর্জাতিক ফুটবলে আবাহনী বড্ড ম্লান। এএফসি কাপে সুবিধাই করতে পারছে না। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিচ্ছে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত দলটি। বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে এবারও এএফসি কাপে আবাহনী প্রতিনিধিত্ব করেছে। ব্যর্থতার বৃত্তে বন্দী থেকে গেছে তারা। ‘ই’ গ্রুপে আবাহনীর প্রতিপক্ষ ছিল ভারতের এএফসি বেঙ্গালুরু, আইজল ও মালদ্বীপের নিউ বেডিয়ান্ট। চার দলের আবাহনীর অবস্থান ছিল চারে। অ্যাওয়ে ম্যাচে আইজলকে শোচনীয়ভাবে হারালেও ঢাকায় ড্র করেছে। অন্যদিকে রেডিয়ান্ট ও বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে হোমঅ্যান্ড অ্যাওয়ে দুই ম্যাচেই হার মেনেছে। জয়-পরাজয় নিয়েই খেলা। কিন্তু শেষ দুই ম্যাচে আবাহনীর পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। টানা দুই ম্যাচে ৯ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়নরা। মালেতে রেডিয়ান্টের কাছে ৫-১ ও বুধবার ঢাকায় বেঙ্গালুরু ৪-০ গোলে আবাহনীকে হারায়। টানা দুই ম্যাচে ৯ গোলে হজম ৪৬ বছরের ইতিহাসে আবাহনীর এই লজ্জার রেকর্ড পরিসংখ্যানে খুঁজে পাওয়া যায়নি। চ্যাম্পিয়ন আবাহনীর কেন এই বিপর্যয়। এ নিয়ে কথা হচ্ছিল টিম ম্যানেজার সাবেক নন্দিত ফুটবলার সত্যজিত দাস রুপুর সঙ্গে। তিনি নিজেও এই হতাশাজনক ফল মেনে নিতে পারছেন না। বললেন, ‘মালেতে আমরা যেন রেডিয়ান্টকে গোল উপহার দিয়েছি। অথচ প্রথমার্ধে আমরা তিনটি সহজ গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেছি। ওই সময়ে যদি ২ গোলেও এগিয়ে যেতে পারতাম। তা হলে ফল অন্য রকম হতে পারত। বলতে পারেন ঢাকায় বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। রুপু বেশ ক্ষোভের সঙ্গে বললেন, ‘ম্যাচ আমাদেরই নিয়ন্ত্রণে ছিল। কিন্তু ডিফেন্ডারদের খামখেয়ালিপনায় অল্প সময়ের মধ্যে ৪ গোল খায়। একটু সতর্ক থাকলেই ম্যাচটি অন্তত ড্র করা যেত।’ রুপু বলেন, ‘অন্য দেশে দলগুলো লিগের পাশাপাশি অন্য টুর্নামেন্টও খেলে। আমাদের এখানে লিগ শেষ হলেই খেলোয়াড়রা বাড়তি ম্যাচের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। পা বাঁচিয়ে খেলে। ইনজুরিতে পড়লেই তো সামনের মৌসুমে মোটা অঙ্ক মিস হয়ে যেতে পারে। আন্তর্জাতিক শিডিউল অনুসরণ করে দলবদল ও মৌসুম শুরু করলে খেলোয়াড়রা মনোযোগ সহকারে খেলতে পারত। আশার কথা ফুটবলের বৃহত্তর স্বার্থে বাফুফে সেই পথই বেছে নিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই পাতার আরো খবর
up-arrow