Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৪ জুন, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১৩ জুন, ২০১৮ ২৩:১৪
উদ্বোধনী ম্যাচ আজ
রাশিয়ার টার্গেট দ্বিতীয় রাউন্ড
ক্রীড়া প্রতিবেদক
রাশিয়ার টার্গেট দ্বিতীয় রাউন্ড

বছর খানেক আগে শতাব্দী সেরা যে দলটি ঘোষণা করেছিল ফিফা, সেখানে পেলে ম্যারাডোনার নাম ছিল। কিন্তু পছন্দের প্রথম নামটি ছিল লেভ ইয়াসিন। আদর করে, ভালোবেসে যাকে সবাই ডাকেন ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ বা ‘কালো চিতা’ বলে। লেভ ইয়াসিনের দেশ রাশিয়া। ভ্লাদিমির লেনিন, ম্যাক্সি গোর্কি, লিও টলস্টয়, ইউরি গ্যাগারিন, ব্যালেন্তিনা তেরেস্কোভার দেশ রাশিয়া এবারের বিশ্বকাপের আয়োজক। আয়োজক রাশিয়া এবার আতিথেয়তা দিচ্ছে ৩১টি দেশকে। ইয়াসিনের রাশিয়া এবার খেলছে ‘এ’ গ্রুপে। গ্রুপের বাকি তিন দল সৌদি আরব, মিসর ও দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে। আজ উদ্বোধনী দিনে লুঝনেকি স্টেডিয়ামে খেলতে নামছে রাশিয়া। প্রতিপক্ষ মরুর দেশ সৌদি আরব। ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপ শুরু। ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত বিশ্বকাপের ধারে কাছে যায়নি সমাজবাদী বিপ্লবের দেশটি। ১৯৫৮ সালে সুইডেন বিশ্বকাপে প্রথম অংশ নিয়েই বাজিমাত করে। ১৯৬২ চিলি বিশ্বকাপেও কোয়ার্টার ফাইনাল খেলে রাশিয়া, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। ১৯৬৬ সালের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ ছিল এখন পর্যন্ত দেশটির সেরা সাফল্য। সেমিফাইনালে উঠেছিল দেশটি। পরের আসরেও সেরা আটে জায়গা করে নেয় দেশটি। মজার  বিষয়, চার আসরেই খেলেছিলেন লেভ ইয়াসিন। ১৯৭৪ ও ১৯৭৮ সালের বাছাইপর্ব টপকাতে পারেনি। ১৯৮২ থেকে পুনরায় খেলতে থাকে এবং সেটা আবার নিয়মিত নয়।

১৯৯০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন নামে অংশ নেয় বিশ্বকাপে। ১৯৯৪ সাল থেকে রাশিয়া নামে খেলছে। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডের ব্যারিয়ার টপকাতে পারেনি। এবার ঘরের মাঠ। পরিচিত পরিবেশ। কতদূর দৌড়াবে, এখনই বলা যাচ্ছে না। গ্রুপটি অপেক্ষাকৃত সহজ। উরুগুয়ে ছাড়া বাকি দুদলের চেয়ে ইতিহাস ও ঐতিহ্যে এগিয়ে দেশটি অনেক। সুতরাং রাশিয়ার দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়া সম্ভব বলেই বিশ্বাস বিশেষজ্ঞদের। রাশিয়ার কোচ স্তানিশ্লাভ চেরচেসোভ আবার পরিচিত মুখ। ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে রাশিয়ার গোলবার আগলেছেন। এখন তিনি দলটির মূল কোচ। তার কোচিংয়ের অবশ্য এখন পর্যন্ত সাফল্য বলতে কিছু নেই। কনফেডারেশন কাপের গ্রুপ পর্ব টপকাতে পারেনি দেশটি। কোচ চেরচেসোভ তার সাফল্যের ছক কষেছেন ইগর আকিনফেভকে ঘিরে। ইয়াসিন, রেনাত দাশায়েভের উত্তরসূরি আকিনফেভও গোলরক্ষক। রাশিয়া বরাবরই বিশ্বসেরা গোলরক্ষক উপহার দিয়ে এসেছেন বিশ্বকে। ১২০ ম্যাচ খেলা আকিনফেভ হয়তো এবার চমকে দিবেন সবাইকে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow