শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০ টা

উত্তরা-চেরাগ আলী হচ্ছে উড়ালসড়ক

চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের আওতায় উত্তরা হাউস বিল্ডিং থেকে টঙ্গী চেরাগ আলী পর্যন্ত উড়ালসড়ক ও ১০ লেনবিশিষ্ট টঙ্গী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের জন্য চীনের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে সেতু বিভাগ। গতকাল সেতু ভবনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তিপত্রে সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী কবির আহমেদ ও জিয়াংসু প্রভিনশিয়াল ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ঝাং শিয়াও য়্যু স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম, বিআরটি নির্মাণ প্রসঙ্গত, হাকালুকি হাওরকে মিঠা পানির মত্স্য প্রজনন কেন্দ্র বলা হয়ে থাকে। এই হাওরে পাওয়া যায় মিঠা পানির অনেক সুস্বাদু মাছ। তালিকায় শীর্ষে আছে রানী মাছ ও পাবদা মাছ। এর মধ্যে রানী মাছ ছিল বিলুপ্ত প্রজাতির। স্থানীয়ভাবে এই রানী মাছকে আবার অনেকে বউ মাছও বলেন। ২০১২ সাল থেকে হাকালুকি হাওরকে মত্স্য অভয়াশ্রম ঘোষণা করার পর থেকে বিলুপ্ত প্রজাতির মাছ আবার নতুন করে বংশ বিস্তার করতে শুরু করেছে। রানী মাছও এই তালিকায় রয়েছে। এ অবস্থায় জেলেরা এ মাছ ধরছেন। এ ব্যাপারে মত্স্যজীবী ছিজরত আলী, কিরেন্দ্র দাস, জাকির হোসেন জানান, একসময় হাওরে প্রচুর পরিমাণে রানী মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু মাঝখানে এ মাছটি প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল।

তবে কয়েক বছর থেকে মাছের সংখ্যা বাড়ছে। রানী মাছ কিনতে হলে আগে জেলেদের জানাতে হয়। তারপর এক কেজি মাছ ধরতে ৩-৪ দিন সময় লাগে। আবার একাধিক জেলেকে বলে রাখলে ২-৩ দিনে এক কেজি রানী মাছ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এক কেজি মাছের মূল্য সর্বনিম্ন ২ হাজার টাকা। বিভিন্ন জনের কাছ থেকে সংগ্রহ করে দিতে হয় বলে এর দাম বেশি।

কুলাউড়া উপজেলা মত্স্য অফিসার মো. সুলতান মাহমুদ জানান, রানী মাছ বিলুপ্ত প্রজাতির তালিকায় ছিল। কিন্তু হাকালুকি হাওরে কয়েকটি অভয়াশ্রম বাস্তবায়নের ফলে এ মাছ আবার জেলেদের জালে ধরা পড়ছে। হাওরে মত্স্য অভয়াশ্রমের সংখ্যা বাড়ালে মাছের উৎপাদন বাড়বে। তা ছাড়া হাওর এলাকার মানুষের মাছের চাহিদা মিটিয়ে গোটা দেশে সরবরাহ করা যাবে। এমনকি বিদেশেও রফতানি করা সম্ভব।

সর্বশেষ খবর